
নিজেস্ব প্রতিবেদক:
ওটস একটি পুষ্টিকর গোটা শস্য । এতে থাকা ফাইবার, প্রোটিন এবং অন্যান্য অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শরীরকে সুস্থ ও ফিট রাখতে সাহায্য করে । সকালের নাশতায় ওটস পোরিজ, স্মুদি, সালাদ আকারে খেতে পারেন।
সকালে ওটস খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-
শরীরে শক্তি যোগায়: ওটস শরীরের হজমশক্তি উন্নত করে ৷ শরীরে একটানা শক্তি জোগায় । এটি আপনাকে সারাদিন শক্তিতে পূর্ণ রাখে ৷ এর ফলে আপনার সারাদিন কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে ।
ফাইবার সমৃদ্ধ: ওটসে বিটা-গ্লুকান নামক দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে ৷ যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার পাশাপাশি পরিপাকতন্ত্রের উন্নতিও করে । এটি ক্ষুধা কমায়। সেই সঙ্গে ওজন কমাতে সাহায্য করে ।
কোলেস্টেরল কমায়: ওটসে থাকা ফাইবার খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ৷ এর ফলে হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং হৃদরোগজনিত রোগের ঝুঁকি কমায় ৷
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে: নিয়মিত ওটস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী । এটি হঠাৎ রক্তে শর্করার বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে ।
হজম শক্তি উন্নতি করে: ওটসে থাকা দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে ৷ এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর হয় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে ।
প্রোটিনের উৎস: ওটসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকায় এটি পেশিকে শক্তিশালী করতে এবং শরীরের টিস্যু মেরামত প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে ।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য: ওটসে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং প্রদাহ কমায়। এর ফলে ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
ওজন কমাতে সহায়ক: প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ ওটস খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে ৷ ফলে অতিরিক্ত খাবার বা স্ন্যাকসের প্রয়োজনীয়তা দূর হয় । এইভাবে এটি ওজন হ্রাস এবং বিপাক উন্নত করতে সাহায্য করে।